মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

News Hewdline :
আগামী বছরের মধ্যেই শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে নিজেও কাঁদলেন, প্রধানমন্ত্রীকেও কাঁদালেন বহিষ্কার যেন স্থায়ী হয়: আবরারের বাবা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন আজ রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার্থে সরকার যখন যে সিদ্ধান্ত নেবে তা বাস্তবায়ন করবে র‌্যাব “অদম্য বাংলাদেশ” সংগঠনের উদ্যোগে শেখ হাসিনার ৭৩তম শুভ জন্মদিন উদযাপন হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা ছাত্রলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাহাত্মা গান্ধী ছিলেন আশার বাতিঘর,অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সেবা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁহ ইউনিয়ন শাখার অনুমোদন কক্সবাজার জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার শহরে কিশোর গ্যাং-এর অপরাধের মাত্রা আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি

কক্সবাজার শহরে কিশোর গ্যাং-এর অপরাধের মাত্রা আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি

নজরুল ইসলাম সুমনঃ

কক্সবাজার শহরে কিশোর গ্যাং-এর অপরাধের মাত্রা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েই চলছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরি, ডাকাতি, খুন, স্মাগলিং, সন্ত্রাসী, ধর্ষণ, ইভটিজিং ও প্রতারণার মতো ঘৃণ্য কিশোর অপরাধ ও অপরাধী চক্র |শহরের অলিতে-গলিতে নানান অপরাধ কর্ম ঘটাচ্ছে এইসব কিশোর গ্যাং-এর সদস্যরা।

সারা শহরে ক্রমবর্ধমান হারে কিশোর গ্যাং-এর অপরাধ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তার ফলে এটি অল্প সময়ের মধ্যে একটি মারাত্মক ব্যাধি হিসেবে পরিণত হতে পারে। কতিপয় নোংরা রাজনীতিবিদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে এইসব কিশোর গ্যাং |

 দামি মোটরসাইকেলে করে শহরে ঘুরে বেড়ানো, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, মাদকসেবনসহ নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। একইভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক বিক্রি, মোটরসাইকেল চুরি, বিক্রিতে জড়িত। এসবের বাইরেও ইভটিজিং কিংবা মহল্লাভিত্তিক বখাটে গ্রুপ তৈরি করে পরিকল্পিত হত্যা এবং অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে তারা।

কিশোর অপরাধের প্রভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে । শিশু কিশোর দ্বারা রাস্তাঘাটে প্রকাশ্যে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, পকেটমারের মতো অপরাধ জনগণের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে । ছাত্রী অপহরণ, ধর্ষণ, ইভটিজিং ইত্যাদি কারণে স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীরা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ছে।

 কিশোর অপরাধের কারণে সমাজে মাদকাসক্তি ও যৌনাচার বেড়ে চলেছে যা সমাজ জীবনে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটাচ্ছে। এ ছাড়া কিশোরদের দ্বারা পিতা-মাতা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের অবাধ্যতা, অশোভন আচরণ, পারিবারিক জীবনে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।ফলে সাধারণ জনগন থেকে শুরু করে অভিভাবক,ব্যবসায়ী,পর্যটক সবাই শংকিত অবস্থায় রয়েছে।

এইসব কিশোর গ্যাং শহরের শান্তিময় পরিবেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।দ্রুত এইসব গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের নিয়ন্ত্রন করা না গেলে কক্সবাজারের আইন-শৃঙ্খলা হুমকির সম্মুখীন হবে।  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *