রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

News Hewdline :
আগামী বছরের মধ্যেই শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে নিজেও কাঁদলেন, প্রধানমন্ত্রীকেও কাঁদালেন বহিষ্কার যেন স্থায়ী হয়: আবরারের বাবা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন আজ রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার্থে সরকার যখন যে সিদ্ধান্ত নেবে তা বাস্তবায়ন করবে র‌্যাব “অদম্য বাংলাদেশ” সংগঠনের উদ্যোগে শেখ হাসিনার ৭৩তম শুভ জন্মদিন উদযাপন হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা ছাত্রলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাহাত্মা গান্ধী ছিলেন আশার বাতিঘর,অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সেবা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁহ ইউনিয়ন শাখার অনুমোদন কক্সবাজার জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
মাহাত্মা গান্ধী ছিলেন আশার বাতিঘর,অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা : প্রধানমন্ত্রী

মাহাত্মা গান্ধী ছিলেন আশার বাতিঘর,অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা : প্রধানমন্ত্রী

মাহাত্মা গান্ধী ছিলেন আশার বাতিঘর। অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সামাজিক অবস্থান, মানুষে প্রতি তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, স্নেহ ও মমতা তাকে মহাত্মা বানিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল জাতিসংঘের ইকোসক চেম্বারে ভারতীয় মিশনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘নেতৃত্ব: সমসাময়িক বিশ্বে মহাত্মা গান্ধীর প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন মহাত্মা গান্ধী। ১৯৪৮ সালে বৃটিশদের হাত থেকে স্বাধীন হয়ে ভারত-পাকিস্তান সৃষ্টির দেড় বছর পরেই দিল্লির বিরলা হাউজে ঘাতকের গুলিতে নিহত হন মহাত্মা।

সামাজিক অবস্থান, প্রথা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালবাসার কারণে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে মহাত্মা (মহান আত্মা) উপাধি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি মহাত্মা গান্ধী নামেই পরিচিত।

মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।

মাহাত্মা গান্ধীর কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে ঘৃণা ও গোঁড়ামি সন্ত্রাসবাদের দিকে পরিচালিত করছে এবং সহিংস চরমপন্থা মানবজাতিকে আগের চেয়ে আরও বেশি বিভক্ত করছে। বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মতো চ্যালেঞ্জকে কার্যকরভাবে মোকাবিলায় গান্ধীজির জীবনদর্শন এবং সব মানুষের প্রতি তার অটল বিশ্বাস আজও আমাদের একত্রিত করতে পারে।’

‘গান্ধীজি একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং সাধু। তিনি তার জীবনকে মানবজাতির জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি ছিলেন আশার বাতিঘর, অন্ধকারে আলো এবং হতাশায় ত্রাণকর্তা।’-যোগ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গান্ধীর উজ্জ্বল এবং মন্ত্রমুগ্ধ নেতৃত্ব বিশ্বকে দেখিয়েছিলো কোনো প্রকার সহিংসতা ছাড়া অহিংস উপায়ে পৃথিবী কাঁপানো সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের দখলদার হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গণহত্যা চালালে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২৬ মর্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন।’

যখনই আমি বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশমেটিক নেতৃত্ব, তার ত্যাগ এবং মানুষের পক্ষে সংগ্রামের দিকটি লক্ষ্য করেছি তখনই আমি তার মধ্যে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে অনেক বড় মিল খুঁজে পেয়েছি’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন-জে-ইন, নিউজিল্যাণ্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নসহ সাত দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান বক্তব্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *